আজ, বৃহস্পতিবার | ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | রাত ৩:৫১

ব্রেকিং নিউজ :
আবার হামলার শিকার হলেন নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী মাগুরা থেকে প্রত্যাহার হলেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মাগুরায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের মানববন্ধন মিরপুরে বাসা থেকে বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যু নিয়ে রহস্য মাগুরায় নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগ দিচ্ছেন মোতাকাব্বীর আহমেদ আবার বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম মাগুরায় চোরাই ৫টি মোটরসাইকেলসহ চোর সিণ্ডিকেটের এক সদস্য গ্রেফতার দুই মহাদেশ সফরের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়লেন এমপি মনোয়ার খান এআই ট্রাফিক ব্যবস্থা ঘিরে নতুন প্রতারণা-বিআরটিএ-এর সতর্কবার্তা স্বর্ণজয়ী ইয়াসমিনকে শ্রীপুরে সংবর্ধনা, বালিকা ফুটবল দলও পেল পুরস্কার

মাগুরা হাসপাতালে ১৫ দিন ভর্তি থেকেও চিকিৎসা পাচ্ছেন না বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম

মাগুরা প্রতিদিন ডটকম : ভেজা হাত মুছতে গিয়ে বিধে গেছে কাপড়ে জড়িয়ে থাকা সূঁচ। তাই নিয়ে গত ১৫ দিন ধরে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আছেন পঞ্চাশোর্ধ বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম। শরীরে ভেঙ্গে থাকা সূঁচটি বের করার মতো উপযুক্ত সময় দায়িত্বরত সার্জন দিতে না পারায় চিকিৎসা ছাড়াই দিনের পর দিন তাকে হাসপাতালে অন্যান্য রোগিদের সঙ্গে কাটাতে হচ্ছে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা প্রত্যাশি আনোয়ার বেগম জেলার মহম্মদপুর উপজেলার রাঢ়িখালি গ্রামের গোলাম রসূলের স্ত্রী।

হাসপাতালের রেজিস্ট্রার থেকে দেখা যায়, আনোয়ারা বেগম হাতের পেশিতে ভেঙ্গে থাকা সূঁচটি নিয়ে ৭ নভেম্বর তারিখে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পরদিন দায়িত্বরত সার্জন শফিউর রহমান তাকে সিভিসি, আরবিএস, ইসিজি, চেষ্ট এক্সরে, সিরাম ক্রিয়েটিনিনসহ বিভিন্ন পরীক্ষা দিয়েছেন। এরমধ্যে এক্সরে পরীক্ষাটি হাসপাতালের বাইরে থেকে করাতে হয়েছে। কিন্তু নির্দেশিত পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করার দুই সপ্তাহ পরও ভেঙ্গে থাকা সূঁচটি বের করা হয়নি।

হাসপাতালের দোতলায় ৬নং বেডে চিকিৎসাধিন ভূক্তভোগী আনোয়ার বেগম বলেন, ডাক্তার ওমিপ্রাজল আর প্যারাসিটামল দিয়েছেন। সেগুলো নিয়োমিত খেয়ে যাচ্ছি। তবে জানি না কবে আমার অপারেশন করবে আর কবেই বা বাড়িতে ফিরে যাবো।

তবে দায়িত্বরত চিকিৎসক শফিউর রহমান বলেন, হাসপাতালে এতদিন ধরে রোগিটি আছে সেটি কেউ অবগত করেনি। তাছাড়া রোগির পক্ষেও কেউ আমার সঙ্গে দেখা করেনি বলে অপারেশন করা যায়নি।

এ বিষয়ে ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আরএমও ডা. বিকাশ শিকদার বলেন, নামে এটি ২৫০ শয্যার হাসপাতাল। কিন্তু ১শ বেডের জনবলও নেই। অথচ মাত্রাতিরিক্ত রোগির চাপ। সপ্তাহে ৬দিন ওটির কাজ চললেও সংকটে সংকটে একেবারেই নাজেহাল অবস্থায়। বিধায় আন্তরিকতা থাকলেও প্রয়োজনীয় সেবা দেয়া যাচ্ছে না।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin. 2018-2022
IT & Technical Support : BS Technology